টিকটকের ভিডিও নিয়ে মিমি-নুসরাতকে কটাক্ষ করলেন শ্রীলেখা

শ্রীলেখা বঙ্গ
নুসরাত জাহান | ছবি সংগৃহীত

শ্রীলেখা | সম্প্রতি বলিউড থেকে টলিউডেও স্বজনপোষণ নিয়ে মুখ খুলেছিলেন অনেক তারকা। তার মধ্যে অন্যতম অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। গোপনে অন্তরালে নায়িকাদের কাজ পেতে টলিপাড়ায় কি এমনই হয়? অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রের বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে আসার পর কান পাতলে প্রায় সর্বত্রই শোনা যাচ্ছিল এমনই গুঞ্জন। সোশ্যাল মিডিয়াতেও তাকে নিয়ে আলোচনা-সামলোচনার শেষ নেই।

নানা জল্পনার শেষে শ্রীলেখা আবারও সোশ্যাল মিডিয়ায় বোমা ফাটালেন। এবার তার নিশানায় যাদবপুরের তৃণমূল সাংসদ মিমি চক্রবর্তী এবং বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদ নুসরাত জাহান। তবে এবার স্বজনপোষণের অভিযোগ নয়। চীনা অ্যাপ টিকটক নিষিদ্ধ হওয়ার প্রসঙ্গ টেনে দুই তারকা সাংসদকে বিঁধলেন অভিনেত্রী।

সুপারহিট মুভি দেখুন ইমেজে ক্লিক করে

সীমান্ত উত্তেজনার আবহে গত সোমবার চীনের বিরুদ্ধে বড়-সড় পদক্ষেপ নিয়েছে ভারত। ডিজিটাল স্ট্রাইকের পথে হেঁটে টিকটক, শেয়ার ইট, ইউসি ব্রাউজার, লাইকি, হেলো, ক্লাব ফ্যাক্টরি, বিউটি প্লাস, জেন্ডার, ক্যাম স্ক্যানার-সহ মোট ৫৯টি জনপ্রিয় অ্যাপ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

শ্রীলেখা মিত্র বঙ্গ
মিমি চক্রবর্তী | ছবি সংগৃহীত

সে দেশের তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তরফে জানানো হয়েছে, চীনের ওই অ্যাপগুলো সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা, দেশের সুরক্ষার জন্য ক্ষতিকারক। সে কারণেই তথ্য-প্রযুক্তি আইনের ৬৯-এ ধারায় অ্যাপগুলো নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এদিকে, লাইক, কমেন্টের মোহে জেনওয়াই টিকটকের নেশায় বুঁদ। তারকারাও ওই অ্যাপ ব্যবহার করতেন যথেষ্ট। অভিনেত্রী তথা বসিরহাটের সাংসদ নুসরাত জাহানও টিকটকে মজে থাকেন অনেকটা সময়। লকডাউনে তার টিকটক ভিডিও নিয়ে সমালোচনার ঝড়ও কম ওঠেনি।

শ্রীলেখা মিত্র বঙ্গ
শ্রীলেখা মিত্র | ছবি সংগৃহীত
এবার টিকটক নিষিদ্ধ হওয়ার প্রসঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় নুসরাত ও মিমিকে আক্রমণ করে বসলেন শ্রীলেখা। তার ফেসবুক প্রোফাইলে লেখেন, “টিকটক’ বন্ধ!! যাদবপুর এবং বসিরহাটের মানুষ তাদের সাংসদদের তাহলে কোথায় দেখতে পাবেন? এখানেই শেষ নয়। অভিনেত্রী আরও লেখেন, ‘আহারে শুনে আমার চোখে জল চলে এলো।’

যদিও এ বিষয়ে মিমি কিংবা নুসরত কারো কোনো পাল্টা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:

সুপারহিট মুভি দেখুন নিচের ইমেজে ক্লিক করে:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *